মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৪

৪০০০কেজির ভোগ রান্না হয় যে পূজায় | নৈহাটির বড়মা


 নৈহাটির কালীপূজা বড় মা। এক সময় ছিল ভবেশ-কালী বাড়ির পুজো। তারপর আস্তে আস্তে তিনি হয়ে উঠেছেন গোটা নৈহাটির বড় মা । বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোৎসব ঠিকই। কিন্তু দুর্গাপুজো মিটতেই নৈহাটিতে শুরু হয় আরও এক উৎসবের আবহ।
বড়-মা-র টানে এখন দূর দূরান্ত , ভিনরাজ্য, এমনকী বিদেশ থেকেও ছুটে আসেন ভক্তরা। সকলেরই বিশ্বাস, বড় মার কাছে সৎভাবে কিছু চাইলে তিনি ফেরান না। সকলের উপর আশীর্বাদ উজাড় করে দেন তিনি।

কালীপুজোয় মায়ের থানে উপচে পড়ে দেশ-বিদেশের ভক্তদের ভিড়। তবে এখানে বছরের ১২ টি অমাবস্যাতেই বিশেষ পুজো হয়।আয়োজন হয় বিরাট অন্নকূটের।
নৈহাটির কালীপুজো দেখতে প্রতি বছরই রেকর্ড ভিড় হয়। নৈহাটি বড়মার পুজোয় এবার ১০১ তম বর্ষ।
৩১ অক্টোবর বড়মার পুজো। তবে যেহেতু লক্ষ লক্ষ মানুষ বড়মার পুজো দিতে আসেন এবং বহু দূর দূরান্ত থেকে আসেন। ফলে এবার এক সপ্তাহ আগে থেকেই পুজো নেওয়ার কাউন্টার খুলে দেওয়া হবে

এ বছর প্রায় ৪ হাজার কিলো ভোগের ব্যবস্থা রাখার চিন্তাভাবনা রয়েছে মন্দির কমিটির। আগে পুজোস্থল সংলগ্ন জায়গা থেকেই সন্দেশ প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকত। তবে এবার নৈহাটি মহেন্দ্র হাইস্কুল এবং পুরসভার সামনে থেকে দেওয়া হবে কুপন। মূলত ভিড় এড়াতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 নৈহাটি অরবিন্দ রোডে মৃৎশিল্পীদের হাতে ধীরে ধীরে গড়ে উঠছে  বড়মার প্রতিমা। কাঠামোর নিচে লাগানো বিশেষ চাকার দ্বারাই, পুজো শেষে এই প্রতিমা টেনে নিয়ে গিয়ে বিসর্জন দেওয়া হয় গঙ্গার ঘাটে। সুউচ্চ ২১ ফুটের মূর্তির পাশাপাশি, বড়মার সারা গায়ে পড়ানো স্বর্ণালংকার দেখতেও বিশেষ উৎসাহ লক্ষ্য করা যায় ভক্তদের মধ্যে। পুজোর কদিন প্রায় কয়েক হাজার মানুষ দণ্ডী কাটেন মায়ের আশীর্বাদ লাভে।


১০০ ভরি সোনা, ২০০ কেজি রুপোর অলঙ্কারে সেজে উঠবে বড়মা। মাথা থেকে পা, বাহারি গয়নার অপূর্ব শোভা। পুজোর দিন বিপুল গয়নায় সালঙ্কারা বড়মা বিসর্জনের দিন আবার সাজে ফুলের সাজে। ভক্তরা বলেন, মায়ের দিক থেকে চোখ ফেরানো যায় না সেদিনও। অপূর্ব সে সাজ। এবার ভাইফোঁটার পর দিন অর্থাৎ ৪ নভেম্বর বিকাল ৪টেয় নিরঞ্জন। প্রতিবার এই প্রতিমা নিরঞ্জন দেখতেও হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়।

বড়মার আশির্বাদে আপনারাও একেকজন হয়ে উঠুন অর্জুন।
শাস্ত্রে বলা আছে ধর্ম রক্ষতি রক্ষিত। অর্থাৎ আপনি যদি ধর্মকে রক্ষা করেন, তবেই ধর্ম আপনাকে রক্ষা করবে।
সারাবিশ্বে অসুরকূল যেভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, তাদের থেকে সনাতনীদের উদ্ধারের এটাই সময়। সবাই সোচ্চার হউন। সনাতনীদের সাহায্য করুন।
জয় হোক সকল সনাতনীদের। জয় হিন্দ।

 

 Video: https://youtu.be/sCwPv79qZcE

শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪

সংসারে সুখ-শান্তি, টাকা-পয়সা ফিরিয়ে আনতে মেনে চলুন এই ৭টি নিয়ম| Laxmi Puja 2024|

 সাবধান এই ৭টি কাজ করলে লক্ষ্মী জীবনেও আপনার ঘরে আসবেনা। তাই মেনে চলুন এই নিয়মগুলো...

পদ্ম ফুলের ওপর বিরাজিতা দেবী লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পদ, সৌভাগ্য ও সৌন্দর্যের দেবী। ত্রিগুণের মধ্যে তিনি হলেন রজগুণের প্রতীক। সংসারে জীবন ধারণ করার জন্য এই রজগুণের বিশেষ সমাদর রয়েছে। লক্ষ্মী শব্দের অর্থ হল সকলে যাকে লক্ষ্য করেন। অর্থাৎ সকলে যাঁকে দর্শন করেন সেই শ্রী মূর্তি। মা লক্ষ্মী সকলকে যশ, খ্যাতি, সমৃদ্ধি ও প্রতিপত্তি প্রদান করেন। এই কোজাগরী পূর্ণিমায় মা লক্ষ্মীর আরাধনা করলে মা সকলের মনোবাসনা পূর্ণ করেন।
সারা বছর মায়ের কৃপা পেতে ভক্তি সহকারে সঠিক নিয়ম মেনে মায়ের পুজো করতে হবে। এমন কিছু কাজ রয়েছে যা লক্ষ্মী পুজোর দিন বাড়িতে করতে নেই। যদি এই কাজগুলি বাড়িতে এই দিন করা হয় তা হলে মা লক্ষ্মী অত্যন্ত রুষ্ট হন।

সাবধান এই ৭টি কাজ করলে লক্ষ্মী জীবনেও আপনার ঘরে আসবেনা। তাই মেনে চলুন এই নিয়মগুলো।

১) মা লক্ষ্মীর পুজোর সময় কোনও ভাবেই লোহার তৈরি বাসন ব্যবহার করা যাবে না।

২) লক্ষ্মী দেবীকে কোনও ভাবে সাদা রঙের ফুল অর্পণ করা যাবে না। সাদা রং ছাড়া লাল, হলুদ, গোলাপি রঙের ফুল ব্যবহার করা যাবে।
৩) লক্ষ্মী দেবীর পুজোর সময় কোনও ভাবে তুলসী পাতা দেওয়া যাবে না।

৪) মা লক্ষ্মীর আসনে সাদা বা কালো কাপড় পাততে নেই। লাল, গোলাপি প্রভৃতি রঙের কাপড় ব্যবহার করতে হবে। এতে মা লক্ষ্মী অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন।

৫) লক্ষ্মী পুজোর দিন কোনও ভাবে বাড়ি থেকে অন্য কাউকে চাল দিতে নেই।

৬) সাধারণত প্রায় সব পুজোর সময়ই কাঁসর ঘণ্টা বাজানো হয়। কিন্তু মা লক্ষ্মীর পুজোয় ভুল করেও কাঁসর ঘণ্টা বাজানো যাবে না।
৭) লক্ষ্মী পুজো করার সময় নিজেকেও লাল, গোলাপি, হলুদ, কমলা এই ধরনের রঙের বস্ত্র পরতে হবে। সাদা বা কালো বস্ত্র একেবারেই পরা যাবে না।

৮) লক্ষ্মী পুজোর দিন মা লক্ষ্মী দেবীর জন্য যে কোনও কাজে কলাপাতা অবশ্যই ব্যবহার করুন।

মা লক্ষ্মী যদি সন্তুষ্ট থাকেন, তবেই আমাদের জীবন ভাল ভাবে চলবে। তাই খেয়াল রাখতে হবে, মা লক্ষ্মী যেন অসন্তুষ্ট না হন।

Video Link: https://youtu.be/afG7zYqMBdA



শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪

Radha Janmashtami 2024 । জন্মাষ্টমী ও পারনের সময়সূচী ।

 ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রাধা অষ্টমীর উৎসব পালিত হয়। এই দিনটি শ্রী কৃষ্ণের প্রিয় রাধা রানীর জন্মবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বাস অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মের ১৫ দিন পরে রাধা রাণীর জন্ম হয়েছিল। তাই এই দিনটিকে রাধার জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয় এবং রাধা অষ্টমী নামে পরিচিত। শ্রী কৃষ্ণের প্রিয় রাধার জন্মবার্ষিকীতে, তাঁর ভক্তরা এই দিনে তাঁর জন্য উপবাস রাখেন এবং সত্য চিত্তে তাঁর পূজা করেন। (Radha Ashtami)

গোস্বামীমতে ১৪৩১ বঙ্গাব্দের রাধা অষ্টমী ২৫শে ভাদ্র, ১১ই সেপ্টেম্বর বুধবার।
তিথি:-১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা বেজে ২৭ মিনিট গতে অষ্টমি তিথি শুরু হবে,১১সেপ্টেম্বর ৬টা বেজে ২৮ মিনিটে শেষ হবে।
শুভ মুহুর্ত:- বুধবার সকাল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে সকাল ৭টা ২মিনিট পর্যন্ত। এবং সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ১০ মিনিট। এ সময়ে রাধা পূজা,গোবর্ধন পূজা করার জন্য শুভ সময়।

পারন:- ২৬শে ভাদ্র ১২ ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৩১ মিনিটের মধ্যে গোস্বামীমতে।


 এই দিনে লোকেরা মঙ্গল কামনায় উপবাস করতে পারে এবং আচার অনুসারে উপবাস পালন করলে আপনি কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন এবং ঘরে সুখ থাকবে। রাধা অষ্টমীর দিনটি শ্রী কৃষ্ণ এবং রাধা রানীর ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দিন। এই দিনে অনেকে উপবাসও করেন

এই দিনে হলুদ রঙের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাধাজি হলুদ রং খুব পছন্দ করেন। যারা এই দিনে উপবাস বা উপাসনা করেন তাদের হলুদ রঙের পোশাক পরিধান করা উচিত। এই দিনে পুজোর পাশাপাশি হলুদ কাপড় বিছিয়ে শ্রী রাধে-কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন করুন। শ্রী রাধেকে হলুদ রঙের ফল ও ফুল নিবেদন করুন। যদি সম্ভব হয়, এই দিনে দেওয়া খাবারটিও হলুদ রঙের হওয়া উচিত।

https://youtu.be/xbtGptBCI2c?si=mbYqtCZOim5D9emW


Krishna Janmashtami 2024 । জন্মাষ্টমী ও পারনের সময়সূচী । জন্মাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য।

 হিন্দু ধর্মে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের অষ্টমী তিথিতে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হবে। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী অষ্টমী তিথি, রোহিণী নক্ষত্র, বৃষ লগ্ন ও বুধবার মাঝরাতে মথুরার কারাগারে কৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। এই তিথিতে কৃষ্ণ ভক্তরা উপবাস করে মাঝরাতে কৃষ্ণের জন্মের পর তাঁর পুজো করেন। মথুরা, বৃন্দাবন-সহ সারা বিশ্বে সাড়ম্বরে এই উৎসব পালিত হয়। .....এ বছর কবে জন্মাষ্টমী, তা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

অষ্টমী তিথি শুরু    ২৬ অগস্ট ২০২৪, ভোর ৩টে ৪০ মিনিটে
অষ্টমী তিথি সমাপ্ত    ২৭ অগস্ট ২০২৪, সকাল ২টো ২০ মিনিটে
অতএব এ বছর ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের অষ্টমী তিথি পড়ছে ২৬ অগস্ট ২০২৪। ২৬ তারিখ মাঝরাতে কৃষ্ণ পুজো হবে।

জন্মাষ্টমী ভোগ- জন্মাষ্টমীর দিনে একাধিক ভোগ অর্পণ করা হয়ে থাকে দেবতা শ্রীকৃষ্ণকে। এইদিনে বাড়িতে যে লাড্ডু গোপাল রয়েছে, তাঁর উদ্দেশে দেওয়া হয় ভোগ। এমন দিনে ৫৬ ভোগের গুরুত্ব বেশি। ভাদ্র মাসের তিথিতে জন্মাষ্টমী পালিত হয়। ভাদ্র মাসের তাল দিয়ে তৈরি তালের বড়া, তালের ক্ষীর এমন শুভ দিনে দেবতাকে দেওয়া হয়। এছাড়াও নাড়ু থেকে শুরু করে লুচি পায়েস সহ নানান পদ অর্পণ করা হয় গোপাল দেবকে।

এ বছর ২৬ অগস্ট কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীতে জয়ন্তী যোগ তৈরি হচ্ছে। শাস্ত্র অনুযায়ী জয়ন্তী যোগে জন্মাষ্টমী ব্রত করলে অক্ষয় পুণ্য ফল লাভ করা যায়। কৃষ্ণের কৃপায় সুখ-সমৃদ্ধি লাভ সম্ভব হয়। কথিত আছে, যে ব্যক্তি এই যোগে জন্মাষ্টমী ব্রত পালন করেন, তাঁরা বৈকুণ্ঠ লাভ করেন। এ বছর গৃহস্থ ও বৈষ্ণবরা একই দিনে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালন করবে।


শাস্ত্র অনুযায়ী দ্বাপর যুগে অষ্টমী তিথি ও রোহিণী নক্ষত্রে বিষ্ণুর কৃষ্ণ অবতারে জন্মগ্রহণ করেন। মথুরায় কংসের বোন দেবকী ও ভগ্নিপতী বাসুদেবের অষ্টম সন্তান ছিলেন কৃষ্ণ। কংস বধ করে অধর্ম, অবিচার, অন্যায় নাশের জন্য কৃষ্ণ রূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন নারায়ণ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী যাঁরা জন্মাষ্টমীর উপবাস করেন ও নিয়ম মেনে কৃষ্ণের পুজো করেন, তাঁদের সমস্ত কষ্ট ও সমস্যা দূর হয় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির আগমন ঘট। পাশাপাশি সেই ব্যক্তি জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে মোক্ষ লাভ করে।


পারনঃ- পরদিন সকাল ৭টা ১৭ মিনিটের পর

https://youtu.be/TQg01Jz1Lqg?si=M9dV_FTLV1FksD15


শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪

২০০১ কি ফিরে এলো?কেনো পালাতে চাইছে হিন্দুরা? Sonaton TV

 গত ৫ই আগষ্ট প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছেন বলে ধারনা করছেন সাধারণ ছাত্র-জনতা। 

কিন্তু তাতেও কি স্বৈরাচার আখ্যা দেওয়া শেখ হাসিনার আমলের চাইতেও সুখে রয়েছেন দেশবাসীরা? সংখ্যালঘুরাই বা কেনো ভারতে পালাতে চাইছেন? কেনো সম্ভ্রমহানী করা হচ্ছে নারীদের? কেনো লাঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ হিন্দুরা? 

এসকল বিষয় নিয়েই জানবো আজকের পর্বে। 

ক্ষমতার রদবদলে বিলুপ্ত প্রায় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা। আর এরমধ্যেই বিধর্মীরা চালাচ্ছেন হত্যাযঙ্গ। দেশ ত্যাগে বাধ্য করছেন সংখ্যালঘুদের। দিনে-দুপুরে ডাকাতি আর রাতের বেলা করছেন অগ্নিসংযোগ। জান-মালের ভয়ে পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন লাখো হিন্দু। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের হিন্দুরা বর্ডার অতিক্রমের চেষ্টায় ভিড় জমিয়েছেন। কিন্তু পঞ্চগড় বর্ডার জুড়ে রেড এলার্ট করে দিয়েছেন বিজিবি। 

সবাই বলছেন ২০০১ কি ফিরে এলো? এই স্বৈরাচারকে থামিয়ে আরেক স্বৈরাচারকে আমন্ত্রণ জানালাম নাতো? কারন ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বিএনপি ও জামাত শিবিরের তাণ্ডবে ভীত সন্ত্রস্ত ছিলো গোটা দেশ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় তো পালিয়ে বেড়াতেন। বাধা দেওয়া হতো পূজা-পার্বনেও। বর্তমান পরিস্থিতিও সেভাবেই এগোচ্ছে। 

 বিশ্বদরবারে বোঝানো হচ্ছে তারা সনাতনীদের পাশে আছেন, রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছেন হিন্দুদের মন্দির। মুল ঘটনা কি আসলেই তাই? তারা সনাতনীদের মন্দির পাহাড়া দিচ্ছেন ঠিক আছে। কিন্তু সেটা শতকরা ৫%। আর ৯৫% জায়গাতেই ঘটছে নাশকতা। বাধ্য করা হচ্ছে ঘরবাড়ি ত্যাগ করার জন্য। 

প্রশ্ন হচ্ছে মন্দির পাহাড়া দিতে হবে কেনো? সারাজীবন কি আমরা ভয়ে ভয়ে পাহাড়া দিয়ে প্রার্থনা করবো? কেনো নির্ঘুম রাত কাটাতে হবে আমাদের? কেনো শুধুমাত্র হিন্দু হওয়ার জেড়েই আগুনে দগ্ধ হবে আমার ঘর? কেনো মার খাবো আমরা? আওয়াজ তোলার সময় এখনই। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশ্বদরবারে জানান আমরা ভালো নেই। টুইটার/ইন্সটাগ্রামে ট্রেন্ড তৈরি করুন। আর যে যার জায়গা থেকে লড়াই করুন। 

মনে রাখবেন এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। এ লড়াই জীবন বাঁচানোর। এ লড়াই মা-বোনের ইজ্জত বাঁচানোর। 


জয় হিন্দ। জয় হোক সনাতনীদের।

 

বিস্তারিত জানতে ভিডিওঃ-https://youtu.be/sIwVX-t70TQ