রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

শ্রীকৃষ্ণের বংশ পরম্পরা | Krishna Family Tree | Sonaton TV

ব্রহ্মার সাথে শ্রীকৃষ্ণের সম্পর্ক কি? দাদু-নাতি?


দ্বাপর যুগে মানবরূপী অসুরদের বিনাশ এবং সাধুদের পরিত্রান করতেই ভগবান স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ আবির্ভূত হন।
অজস্র লীলাবিলাসে তিনি অতিক্রম করেন তার বাল্য এবং যৌবন কাল।
যেহেতু তিনি মানবরুপে জন্ম নিয়েছিলেন, সেহেতু আমাদের মতো তারও রয়েছে নিজস্ব গোত্র এবং বংশ পরম্পরা।
আপনারা জানেন কি? তার বংশ কোথা থেকে সৃষ্টি?
চলুন ভিউয়ারস আজকের পর্বে জেনে আসি, তার বংশের বিবরন, প্রজাপতি ব্রহ্মা থেকে বসুদেব পর্যন্ত।


বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যনেলটিঃ- https://youtu.be/pYK4H5C7fyM

শনিবার, ১১ জুলাই, ২০২০

শ্রীমদ্ভাগবতের উৎপত্তি রহস্য | Mystery of Bhagwat | Sonaton TV

সনাতনীদের অত্যাশ্চার্যীয় এক গ্রন্থের নাম শ্রীমদ্ভাগবত। যেটাতে রয়েছে ভারত থেকে পুরো বিশ্বের কাহিনি। যেখানে রয়েছে পৃথিবীর সৃষ্টি থেকে অন্তিম হওয়ার ভবিষ্যৎ বানী। যেখানে রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের লীলাবিলাস থেকে ব্রহ্মার সৃষ্টি পর্যন্ত।
তো সনাতনী বন্ধুরা আপনারা জানেন কি?
সেই মহান গ্রন্থ কে? কেনো? কিভাবে রচনা করলো?

সনাতনটিভির আজকের পর্বে সেটাই আলোচনা করা হবে।


বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন আমাদের ইউটিউব চ্যনেলটিঃ- https://youtu.be/JvFEhLJnhAw

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

রোজা? না একাদশী? কোনটা পালন করবেন? Sonaton TV


মানুষ মানেই বিশ্বাস। আর বিশ্বাস থেকেই ধর্মের সৃষ্টি হয়। এই পৃথিবীতে ২০০০ এর ও বেশি ধর্ম রয়েছে। একেক ধর্মের একেক আচার-আচরণ ও সমাজ ব্যাবস্থা। নানান সংস্কার ও নৈতিকতার ভিরে একটি জিনিস কিন্তু কমন, যা সকল ধর্মেই রয়েছে। সেটা হলো উপবাস। বিশ্বের দুটি সনামধন্য ধর্ম। ইসলাম ও সনাতন। তাদের কথাই চিন্তা করুন, ইসলাম ধর্মে উপবাস পালন করা হয় রোজা রাখার মাধ্যমে, আর সনাতন ধর্মে রয়েছে একাদশী,অঞ্জলি প্রদান ও পূজা দেওয়ার মতো উপবাসগুলো।।
আজকের পর্বে আমরা জানবো রোজা রাখার উপকারীতা একাদশীর চাইতে ভালো?
নাকি বরংচ একাদশী থাকাটাই বেশি সমীচীন?
সকল ধর্মকে সম্মান করতে পারাই, আসল ধর্ম।
কারন সবই ভগবানের সৃষ্টি। আমরা কোনো ধর্মের সাথে নিজের ধর্মের তুলনা করার ক্ষমতা রাখতে পারিনা,তবে মৌলিক অধিকারগুলো যেমন সবার প্রয়োজন, ঠিক তেমনি সঠিক জীবন ব্যবস্থাও জানা সকলের প্রয়োজন।
প্রথমেই আসি বিজ্ঞান কি বলে?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পাহার,পরিমিত ঘুম, আর সঠিক খাদ্যাভাস মেনে চলার মাধ্যমে মানুষ সুস্থ থাকেন। বিজ্ঞানের দৌলতে সবাই জানেন, বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে অসংখ্য কোষের সৃষ্টি হয়, আর প্রয়োজনের তাগিদে তা নষ্টও হয়ে যায়। তবে যে কোষ গুলো মৃত হয়ে যায়, সেগুলো যদি নিস্ক্রিয় না হয়, তাহলেই ঘটে বিপত্তি।
সেজন্যই ধর্মযাজক রা সৃষ্টি করেন উপবাসের। যা পালনের মাধ্যমে শরীরের মৃত কোষ গুলোর নিষ্পত্তি  ঘটে, আর আমরা পাই নতুন প্রয়োজনীয় কোষ।
বন্যার পর, মাটি যেমন সুশীলা ও উর্বর হয়ে উঠে,
ঠিক তেমনি একটি উপবাসের মাধ্যমে আমরা পাই সঠিক দেহগঠন।
পৌরাণিক যুগের মুনি ঋষিরা ধ্যান আর একাহারের মাধ্যমে বেঁচে থাকতেন যুগ-যুগ ধরে।
যেটা সঠিক ধর্ম সেটা বিজ্ঞান ও স্বীকৃতি দেয়।
মুসলিম সমাজও ঠিক একই কারনে পালন করেন ১ মাস ব্যপি পবিত্র রমজান।
তবে সনাতন সমাজের একাদশী থাকার ব্যপারটা ভিন্ন। তাদের একাদশীর উপবাস হয়ে থাকে, প্রতি ১৫ দিন পরপর। এটাই হয়তো সঠিক নিয়ম। কেননা, আপনি ১৪ দিন ধরে খাদ্য রুটিন মানবেন, আর তারপরেই ১ টি উপবাসে আবার সচল হবে আপনার দেহরথ।  যেটা মুসলিম সমাজে নেই।
সনাতনীরা সারা বছর এভাবেই পালন করেন একাদশী,আর মুসলিমরা করেন টানা ১মাস।
শরীরের সকল অপ্রয়োজনীয় পদার্থ দূর করতে ১ পক্ষকালীন সময় অর্থাৎ ১৫ দিন পরপর উপবাসগুলো হওয়া উচিত।
দুটি ধর্মের উপবাস থাকার ধরনটা প্রায় একই ধরনের, তবে একাদশীটা অনেকটাই যুক্তিযুক্ত। যার প্রমান এই ভিডিওতে দেওয়া হয়েছে।
কোনো ব্যক্তি বা ধর্মকে হেয় করার চিন্তা সনাতন টিভির উদ্দেশ্য নয়, কেননা সনাতন ধর্ম কখনই এটা শেখায় না।
জয় হিন্দ


বিস্তারিত জানতে ভিডিওঃ- https://youtu.be/16A0cGil4Vk

বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

সাপের জিভ চেরা কেনো? হিন্দুশাস্ত্র কি বলে? Sonaton TV


প্রাণীকূলের মধ্যে ভয়ংকর এবং ভীতু প্রাণীর নাম হলো সাপ বা সর্প। অজগর মানুষ খায়, আবার ছোট সাপগুলো মানুষ দেখলে ভয় পায়। গ্রামীন পরিবেশে ভ্রমন কিংবা বসবাস করলে দেখতে পাওয়া যায় একদল লোক তাদের উপার্জন এর জন্য বেছে নিয়েছেন সাপের খেলা দেখানো, আবার শহুরে পরিবেশের মানুষরা তাদের বিনোদনের জন্য ভ্রমন করেন চিড়িয়াখানা।
সাপখেলা হোক বা চিড়িয়াখানা, তাদের দৌলতে সবাই চিনে গেছেন, সাপ আসলে দেখতে কেমন। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন সাপের জীভ মাঝে থেকে চেড়া। আপনি জানেন কি? তাদের এই পরিবর্তন কিভাবে হলো?
বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা না পেলেও আজকের পর্বে জানতে পারবেন ধর্মীয় মতে, সাপের জীভ চেড়া হলো, কোন অভিশাপে?
দূর্বাসা মুনির অভিশাপে স্বর্গলোক শ্রীহীন হওয়ার কাহিনী সবারই জানা। আর এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন পরে সমুদ্র মন্থনের। দেবতাদের পক্ষে  মন্থন একা করা সম্ভব নয় বলেই, অমৃতের লোভে তাদের সাথে যোগদান করেন অসুর সেনারা। আর এতে মন্থন দন্ড হিসেবে মন্দর পর্বত এবং মন্থন রজ্জু হিসেবে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন ভগবান শীবের প্রিয় বাসুকি নাগ।
মন্থন ক্রিয়ায় একে একে প্রর্ত্যাবর্তন ঘটে, মাতা লক্ষ্মীসহ স্বর্গের সকল প্রয়োজনীয়তা।
আর অবশেষে উঠে আসে সকলের প্রত্যাশিত সেই মূল্যবান বস্তু অমৃত।
সকলকে প্রাপ্যদান শেষে, কিছু অমৃত রাখা হয় স্বর্পদের জন্য।
কিন্তু স্বর্পকূলের মাতার দূর্ব্যবহারে তারা হারায় অমৃতের স্বাদ।
পূর্বে,অমৃতের কলস পাশের কাশবনে রাখা হয়েছিল।
আর তাই স্বর্পমাতা মনে করেন হয়তো অমৃতের কিছু অংশ কাশবনে পতিত হয়েছে,
তাই সকল স্বর্পকে আদেশ করেন যাও কাশবনে গিয়ে তোমরা জিহ্বা দিয়ে লেহন করো, অমৃতের স্বাদে পেতেও পারো।
সকলে তাই করল, আর কাশবনের ধারালো অংশে তাদের জ্বিহ্বা দ্বিখণ্ডিত হয়ে, চিরস্মরণীয় হয়ে রইলো পৌরাণিক গল্প কথায়।



বিস্তারিত ভিডিওতেঃ- https://youtu.be/Q903q8InwtI