ভাদ্রপদ মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে রাধা অষ্টমীর উৎসব পালিত হয়। এই দিনটি শ্রী কৃষ্ণের প্রিয় রাধা রানীর জন্মবার্ষিকী হিসেবে পালিত হয়। বিশ্বাস অনুসারে, শ্রীকৃষ্ণের জন্মের ১৫ দিন পরে রাধা রাণীর জন্ম হয়েছিল। তাই এই দিনটিকে রাধার জন্মদিন হিসেবে পালন করা হয় এবং রাধা অষ্টমী নামে পরিচিত। শ্রী কৃষ্ণের প্রিয় রাধার জন্মবার্ষিকীতে, তাঁর ভক্তরা এই দিনে তাঁর জন্য উপবাস রাখেন এবং সত্য চিত্তে তাঁর পূজা করেন। (Radha Ashtami)
গোস্বামীমতে ১৪৩১ বঙ্গাব্দের রাধা অষ্টমী ২৫শে ভাদ্র, ১১ই সেপ্টেম্বর বুধবার।
তিথি:-১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা বেজে ২৭ মিনিট গতে অষ্টমি তিথি শুরু হবে,১১সেপ্টেম্বর ৬টা বেজে ২৮ মিনিটে শেষ হবে।
শুভ মুহুর্ত:- বুধবার সকাল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে সকাল ৭টা ২মিনিট পর্যন্ত। এবং সকাল ৯টা ৩১ মিনিট থেকে সকাল ১১টা ১০ মিনিট। এ সময়ে রাধা পূজা,গোবর্ধন পূজা করার জন্য শুভ সময়।
পারন:- ২৬শে ভাদ্র ১২ ই সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ৫টা ২৫ মিনিট থেকে সকাল ৯টা ৩১ মিনিটের মধ্যে গোস্বামীমতে।
এই দিনে লোকেরা মঙ্গল কামনায় উপবাস করতে পারে এবং আচার অনুসারে উপবাস পালন করলে আপনি কাঙ্ক্ষিত ফল পাবেন এবং ঘরে সুখ থাকবে। রাধা অষ্টমীর দিনটি শ্রী কৃষ্ণ এবং রাধা রানীর ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দিন। এই দিনে অনেকে উপবাসও করেন
এই দিনে হলুদ রঙের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাধাজি হলুদ রং খুব পছন্দ করেন। যারা এই দিনে উপবাস বা উপাসনা করেন তাদের হলুদ রঙের পোশাক পরিধান করা উচিত। এই দিনে পুজোর পাশাপাশি হলুদ কাপড় বিছিয়ে শ্রী রাধে-কৃষ্ণের মূর্তি স্থাপন করুন। শ্রী রাধেকে হলুদ রঙের ফল ও ফুল নিবেদন করুন। যদি সম্ভব হয়, এই দিনে দেওয়া খাবারটিও হলুদ রঙের হওয়া উচিত।
https://youtu.be/xbtGptBCI2c?si=mbYqtCZOim5D9emW
শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪
Radha Janmashtami 2024 । জন্মাষ্টমী ও পারনের সময়সূচী ।
Krishna Janmashtami 2024 । জন্মাষ্টমী ও পারনের সময়সূচী । জন্মাষ্টমী ব্রত মাহাত্ম্য।
হিন্দু ধর্মে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীর বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে। ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের অষ্টমী তিথিতে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালিত হবে। শ্রীমদ্ভাগবত পুরাণ অনুযায়ী অষ্টমী তিথি, রোহিণী নক্ষত্র, বৃষ লগ্ন ও বুধবার মাঝরাতে মথুরার কারাগারে কৃষ্ণ জন্মগ্রহণ করেন। এই তিথিতে কৃষ্ণ ভক্তরা উপবাস করে মাঝরাতে কৃষ্ণের জন্মের পর তাঁর পুজো করেন। মথুরা, বৃন্দাবন-সহ সারা বিশ্বে সাড়ম্বরে এই উৎসব পালিত হয়। .....এ বছর কবে জন্মাষ্টমী, তা বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।
অষ্টমী তিথি শুরু ২৬ অগস্ট ২০২৪, ভোর ৩টে ৪০ মিনিটে
অষ্টমী তিথি সমাপ্ত ২৭ অগস্ট ২০২৪, সকাল ২টো ২০ মিনিটে
অতএব এ বছর ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণ পক্ষের অষ্টমী তিথি পড়ছে ২৬ অগস্ট ২০২৪। ২৬ তারিখ মাঝরাতে কৃষ্ণ পুজো হবে।
জন্মাষ্টমী ভোগ- জন্মাষ্টমীর দিনে একাধিক ভোগ অর্পণ করা হয়ে থাকে দেবতা শ্রীকৃষ্ণকে। এইদিনে বাড়িতে যে লাড্ডু গোপাল রয়েছে, তাঁর উদ্দেশে দেওয়া হয় ভোগ। এমন দিনে ৫৬ ভোগের গুরুত্ব বেশি। ভাদ্র মাসের তিথিতে জন্মাষ্টমী পালিত হয়। ভাদ্র মাসের তাল দিয়ে তৈরি তালের বড়া, তালের ক্ষীর এমন শুভ দিনে দেবতাকে দেওয়া হয়। এছাড়াও নাড়ু থেকে শুরু করে লুচি পায়েস সহ নানান পদ অর্পণ করা হয় গোপাল দেবকে।
এ বছর ২৬ অগস্ট কৃষ্ণ জন্মাষ্টমীতে জয়ন্তী যোগ তৈরি হচ্ছে। শাস্ত্র অনুযায়ী জয়ন্তী যোগে জন্মাষ্টমী ব্রত করলে অক্ষয় পুণ্য ফল লাভ করা যায়। কৃষ্ণের কৃপায় সুখ-সমৃদ্ধি লাভ সম্ভব হয়। কথিত আছে, যে ব্যক্তি এই যোগে জন্মাষ্টমী ব্রত পালন করেন, তাঁরা বৈকুণ্ঠ লাভ করেন। এ বছর গৃহস্থ ও বৈষ্ণবরা একই দিনে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী পালন করবে।
শাস্ত্র অনুযায়ী দ্বাপর যুগে অষ্টমী তিথি ও রোহিণী নক্ষত্রে বিষ্ণুর কৃষ্ণ অবতারে জন্মগ্রহণ করেন। মথুরায় কংসের বোন দেবকী ও ভগ্নিপতী বাসুদেবের অষ্টম সন্তান ছিলেন কৃষ্ণ। কংস বধ করে অধর্ম, অবিচার, অন্যায় নাশের জন্য কৃষ্ণ রূপে জন্মগ্রহণ করেছিলেন নারায়ণ। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী যাঁরা জন্মাষ্টমীর উপবাস করেন ও নিয়ম মেনে কৃষ্ণের পুজো করেন, তাঁদের সমস্ত কষ্ট ও সমস্যা দূর হয় এবং জীবনে সুখ-সমৃদ্ধির আগমন ঘট। পাশাপাশি সেই ব্যক্তি জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে মোক্ষ লাভ করে।
পারনঃ- পরদিন সকাল ৭টা ১৭ মিনিটের পর
https://youtu.be/TQg01Jz1Lqg?si=M9dV_FTLV1FksD15
শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০২৪
২০০১ কি ফিরে এলো?কেনো পালাতে চাইছে হিন্দুরা? Sonaton TV
গত ৫ই আগষ্ট প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছেন বলে ধারনা করছেন সাধারণ ছাত্র-জনতা।
কিন্তু তাতেও কি স্বৈরাচার আখ্যা দেওয়া শেখ হাসিনার আমলের চাইতেও সুখে রয়েছেন দেশবাসীরা? সংখ্যালঘুরাই বা কেনো ভারতে পালাতে চাইছেন? কেনো সম্ভ্রমহানী করা হচ্ছে নারীদের? কেনো লাঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ হিন্দুরা?
এসকল বিষয় নিয়েই জানবো আজকের পর্বে।
ক্ষমতার রদবদলে বিলুপ্ত প্রায় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা। আর এরমধ্যেই বিধর্মীরা চালাচ্ছেন হত্যাযঙ্গ। দেশ ত্যাগে বাধ্য করছেন সংখ্যালঘুদের। দিনে-দুপুরে ডাকাতি আর রাতের বেলা করছেন অগ্নিসংযোগ। জান-মালের ভয়ে পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন লাখো হিন্দু। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের হিন্দুরা বর্ডার অতিক্রমের চেষ্টায় ভিড় জমিয়েছেন। কিন্তু পঞ্চগড় বর্ডার জুড়ে রেড এলার্ট করে দিয়েছেন বিজিবি।
সবাই বলছেন ২০০১ কি ফিরে এলো? এই স্বৈরাচারকে থামিয়ে আরেক স্বৈরাচারকে আমন্ত্রণ জানালাম নাতো? কারন ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বিএনপি ও জামাত শিবিরের তাণ্ডবে ভীত সন্ত্রস্ত ছিলো গোটা দেশ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় তো পালিয়ে বেড়াতেন। বাধা দেওয়া হতো পূজা-পার্বনেও। বর্তমান পরিস্থিতিও সেভাবেই এগোচ্ছে।
বিশ্বদরবারে বোঝানো হচ্ছে তারা সনাতনীদের পাশে আছেন, রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছেন হিন্দুদের মন্দির। মুল ঘটনা কি আসলেই তাই? তারা সনাতনীদের মন্দির পাহাড়া দিচ্ছেন ঠিক আছে। কিন্তু সেটা শতকরা ৫%। আর ৯৫% জায়গাতেই ঘটছে নাশকতা। বাধ্য করা হচ্ছে ঘরবাড়ি ত্যাগ করার জন্য।
প্রশ্ন হচ্ছে মন্দির পাহাড়া দিতে হবে কেনো? সারাজীবন কি আমরা ভয়ে ভয়ে পাহাড়া দিয়ে প্রার্থনা করবো? কেনো নির্ঘুম রাত কাটাতে হবে আমাদের? কেনো শুধুমাত্র হিন্দু হওয়ার জেড়েই আগুনে দগ্ধ হবে আমার ঘর? কেনো মার খাবো আমরা? আওয়াজ তোলার সময় এখনই। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশ্বদরবারে জানান আমরা ভালো নেই। টুইটার/ইন্সটাগ্রামে ট্রেন্ড তৈরি করুন। আর যে যার জায়গা থেকে লড়াই করুন।
মনে রাখবেন এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। এ লড়াই জীবন বাঁচানোর। এ লড়াই মা-বোনের ইজ্জত বাঁচানোর।
জয় হিন্দ। জয় হোক সনাতনীদের।
বিস্তারিত জানতে ভিডিওঃ-https://youtu.be/sIwVX-t70TQ


