গত ৫ই আগষ্ট প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ দ্বিতীয় বারের মতো স্বাধীনতা অর্জন করেছেন বলে ধারনা করছেন সাধারণ ছাত্র-জনতা।
কিন্তু তাতেও কি স্বৈরাচার আখ্যা দেওয়া শেখ হাসিনার আমলের চাইতেও সুখে রয়েছেন দেশবাসীরা? সংখ্যালঘুরাই বা কেনো ভারতে পালাতে চাইছেন? কেনো সম্ভ্রমহানী করা হচ্ছে নারীদের? কেনো লাঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ হিন্দুরা?
এসকল বিষয় নিয়েই জানবো আজকের পর্বে।
ক্ষমতার রদবদলে বিলুপ্ত প্রায় বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থা। আর এরমধ্যেই বিধর্মীরা চালাচ্ছেন হত্যাযঙ্গ। দেশ ত্যাগে বাধ্য করছেন সংখ্যালঘুদের। দিনে-দুপুরে ডাকাতি আর রাতের বেলা করছেন অগ্নিসংযোগ। জান-মালের ভয়ে পৈত্রিক বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন লাখো হিন্দু। সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উত্তরবঙ্গের হিন্দুরা বর্ডার অতিক্রমের চেষ্টায় ভিড় জমিয়েছেন। কিন্তু পঞ্চগড় বর্ডার জুড়ে রেড এলার্ট করে দিয়েছেন বিজিবি।
সবাই বলছেন ২০০১ কি ফিরে এলো? এই স্বৈরাচারকে থামিয়ে আরেক স্বৈরাচারকে আমন্ত্রণ জানালাম নাতো? কারন ২০০১ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত বিএনপি ও জামাত শিবিরের তাণ্ডবে ভীত সন্ত্রস্ত ছিলো গোটা দেশ। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায় তো পালিয়ে বেড়াতেন। বাধা দেওয়া হতো পূজা-পার্বনেও। বর্তমান পরিস্থিতিও সেভাবেই এগোচ্ছে।
বিশ্বদরবারে বোঝানো হচ্ছে তারা সনাতনীদের পাশে আছেন, রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছেন হিন্দুদের মন্দির। মুল ঘটনা কি আসলেই তাই? তারা সনাতনীদের মন্দির পাহাড়া দিচ্ছেন ঠিক আছে। কিন্তু সেটা শতকরা ৫%। আর ৯৫% জায়গাতেই ঘটছে নাশকতা। বাধ্য করা হচ্ছে ঘরবাড়ি ত্যাগ করার জন্য।
প্রশ্ন হচ্ছে মন্দির পাহাড়া দিতে হবে কেনো? সারাজীবন কি আমরা ভয়ে ভয়ে পাহাড়া দিয়ে প্রার্থনা করবো? কেনো নির্ঘুম রাত কাটাতে হবে আমাদের? কেনো শুধুমাত্র হিন্দু হওয়ার জেড়েই আগুনে দগ্ধ হবে আমার ঘর? কেনো মার খাবো আমরা? আওয়াজ তোলার সময় এখনই। হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করুন আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিশ্বদরবারে জানান আমরা ভালো নেই। টুইটার/ইন্সটাগ্রামে ট্রেন্ড তৈরি করুন। আর যে যার জায়গা থেকে লড়াই করুন।
মনে রাখবেন এটা আমাদের অস্তিত্বের লড়াই। এ লড়াই জীবন বাঁচানোর। এ লড়াই মা-বোনের ইজ্জত বাঁচানোর।
জয় হিন্দ। জয় হোক সনাতনীদের।
বিস্তারিত জানতে ভিডিওঃ-https://youtu.be/sIwVX-t70TQ

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন