রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২০

রোজা? না একাদশী? কোনটা পালন করবেন? Sonaton TV


মানুষ মানেই বিশ্বাস। আর বিশ্বাস থেকেই ধর্মের সৃষ্টি হয়। এই পৃথিবীতে ২০০০ এর ও বেশি ধর্ম রয়েছে। একেক ধর্মের একেক আচার-আচরণ ও সমাজ ব্যাবস্থা। নানান সংস্কার ও নৈতিকতার ভিরে একটি জিনিস কিন্তু কমন, যা সকল ধর্মেই রয়েছে। সেটা হলো উপবাস। বিশ্বের দুটি সনামধন্য ধর্ম। ইসলাম ও সনাতন। তাদের কথাই চিন্তা করুন, ইসলাম ধর্মে উপবাস পালন করা হয় রোজা রাখার মাধ্যমে, আর সনাতন ধর্মে রয়েছে একাদশী,অঞ্জলি প্রদান ও পূজা দেওয়ার মতো উপবাসগুলো।।
আজকের পর্বে আমরা জানবো রোজা রাখার উপকারীতা একাদশীর চাইতে ভালো?
নাকি বরংচ একাদশী থাকাটাই বেশি সমীচীন?
সকল ধর্মকে সম্মান করতে পারাই, আসল ধর্ম।
কারন সবই ভগবানের সৃষ্টি। আমরা কোনো ধর্মের সাথে নিজের ধর্মের তুলনা করার ক্ষমতা রাখতে পারিনা,তবে মৌলিক অধিকারগুলো যেমন সবার প্রয়োজন, ঠিক তেমনি সঠিক জীবন ব্যবস্থাও জানা সকলের প্রয়োজন।
প্রথমেই আসি বিজ্ঞান কি বলে?
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পাহার,পরিমিত ঘুম, আর সঠিক খাদ্যাভাস মেনে চলার মাধ্যমে মানুষ সুস্থ থাকেন। বিজ্ঞানের দৌলতে সবাই জানেন, বেঁচে থাকার জন্য প্রতিনিয়ত আমাদের শরীরে অসংখ্য কোষের সৃষ্টি হয়, আর প্রয়োজনের তাগিদে তা নষ্টও হয়ে যায়। তবে যে কোষ গুলো মৃত হয়ে যায়, সেগুলো যদি নিস্ক্রিয় না হয়, তাহলেই ঘটে বিপত্তি।
সেজন্যই ধর্মযাজক রা সৃষ্টি করেন উপবাসের। যা পালনের মাধ্যমে শরীরের মৃত কোষ গুলোর নিষ্পত্তি  ঘটে, আর আমরা পাই নতুন প্রয়োজনীয় কোষ।
বন্যার পর, মাটি যেমন সুশীলা ও উর্বর হয়ে উঠে,
ঠিক তেমনি একটি উপবাসের মাধ্যমে আমরা পাই সঠিক দেহগঠন।
পৌরাণিক যুগের মুনি ঋষিরা ধ্যান আর একাহারের মাধ্যমে বেঁচে থাকতেন যুগ-যুগ ধরে।
যেটা সঠিক ধর্ম সেটা বিজ্ঞান ও স্বীকৃতি দেয়।
মুসলিম সমাজও ঠিক একই কারনে পালন করেন ১ মাস ব্যপি পবিত্র রমজান।
তবে সনাতন সমাজের একাদশী থাকার ব্যপারটা ভিন্ন। তাদের একাদশীর উপবাস হয়ে থাকে, প্রতি ১৫ দিন পরপর। এটাই হয়তো সঠিক নিয়ম। কেননা, আপনি ১৪ দিন ধরে খাদ্য রুটিন মানবেন, আর তারপরেই ১ টি উপবাসে আবার সচল হবে আপনার দেহরথ।  যেটা মুসলিম সমাজে নেই।
সনাতনীরা সারা বছর এভাবেই পালন করেন একাদশী,আর মুসলিমরা করেন টানা ১মাস।
শরীরের সকল অপ্রয়োজনীয় পদার্থ দূর করতে ১ পক্ষকালীন সময় অর্থাৎ ১৫ দিন পরপর উপবাসগুলো হওয়া উচিত।
দুটি ধর্মের উপবাস থাকার ধরনটা প্রায় একই ধরনের, তবে একাদশীটা অনেকটাই যুক্তিযুক্ত। যার প্রমান এই ভিডিওতে দেওয়া হয়েছে।
কোনো ব্যক্তি বা ধর্মকে হেয় করার চিন্তা সনাতন টিভির উদ্দেশ্য নয়, কেননা সনাতন ধর্ম কখনই এটা শেখায় না।
জয় হিন্দ


বিস্তারিত জানতে ভিডিওঃ- https://youtu.be/16A0cGil4Vk

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন