বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

সাপের জিভ চেরা কেনো? হিন্দুশাস্ত্র কি বলে? Sonaton TV


প্রাণীকূলের মধ্যে ভয়ংকর এবং ভীতু প্রাণীর নাম হলো সাপ বা সর্প। অজগর মানুষ খায়, আবার ছোট সাপগুলো মানুষ দেখলে ভয় পায়। গ্রামীন পরিবেশে ভ্রমন কিংবা বসবাস করলে দেখতে পাওয়া যায় একদল লোক তাদের উপার্জন এর জন্য বেছে নিয়েছেন সাপের খেলা দেখানো, আবার শহুরে পরিবেশের মানুষরা তাদের বিনোদনের জন্য ভ্রমন করেন চিড়িয়াখানা।
সাপখেলা হোক বা চিড়িয়াখানা, তাদের দৌলতে সবাই চিনে গেছেন, সাপ আসলে দেখতে কেমন। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন সাপের জীভ মাঝে থেকে চেড়া। আপনি জানেন কি? তাদের এই পরিবর্তন কিভাবে হলো?
বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যা না পেলেও আজকের পর্বে জানতে পারবেন ধর্মীয় মতে, সাপের জীভ চেড়া হলো, কোন অভিশাপে?
দূর্বাসা মুনির অভিশাপে স্বর্গলোক শ্রীহীন হওয়ার কাহিনী সবারই জানা। আর এই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন পরে সমুদ্র মন্থনের। দেবতাদের পক্ষে  মন্থন একা করা সম্ভব নয় বলেই, অমৃতের লোভে তাদের সাথে যোগদান করেন অসুর সেনারা। আর এতে মন্থন দন্ড হিসেবে মন্দর পর্বত এবং মন্থন রজ্জু হিসেবে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন ভগবান শীবের প্রিয় বাসুকি নাগ।
মন্থন ক্রিয়ায় একে একে প্রর্ত্যাবর্তন ঘটে, মাতা লক্ষ্মীসহ স্বর্গের সকল প্রয়োজনীয়তা।
আর অবশেষে উঠে আসে সকলের প্রত্যাশিত সেই মূল্যবান বস্তু অমৃত।
সকলকে প্রাপ্যদান শেষে, কিছু অমৃত রাখা হয় স্বর্পদের জন্য।
কিন্তু স্বর্পকূলের মাতার দূর্ব্যবহারে তারা হারায় অমৃতের স্বাদ।
পূর্বে,অমৃতের কলস পাশের কাশবনে রাখা হয়েছিল।
আর তাই স্বর্পমাতা মনে করেন হয়তো অমৃতের কিছু অংশ কাশবনে পতিত হয়েছে,
তাই সকল স্বর্পকে আদেশ করেন যাও কাশবনে গিয়ে তোমরা জিহ্বা দিয়ে লেহন করো, অমৃতের স্বাদে পেতেও পারো।
সকলে তাই করল, আর কাশবনের ধারালো অংশে তাদের জ্বিহ্বা দ্বিখণ্ডিত হয়ে, চিরস্মরণীয় হয়ে রইলো পৌরাণিক গল্প কথায়।



বিস্তারিত ভিডিওতেঃ- https://youtu.be/Q903q8InwtI

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন